• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম:
গলাচিপা – দশমিনার খাদ্য নিয়ন্ত্রণক মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার কোটচাঁদপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই সদস্য গ্রেপ্তার গাইবান্ধায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার শ্রীপুরের দারিয়াপুর ডিগ্রি কলেজে’আনোয়ারা খাতুন ছাত্রী নিবাস’ উদ্বোধন ঝিনাইদহে ভিডব্লিউবি প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেছে ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা মহেশপুরে শ্বশুরের কুড়ালের আঘাতে জামাই শশুর গ্রেপ্তার নিহত‌ নাটোর বড়াইগ্রামে নিহত ১৪, এক যুগ আগে একই দিনে মৃত্যু হয় ৩৫ জনের দৈনিক মহেশপুরে ৬০ পিস ইয়াবাসহ ০১ জন গ্রেফতার ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ১৩ জন মাদক সেবনকারী কে কার দন্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান  সংবাদ প্রকাশের পর  জামালপুরে শিক্ষকের বেতন বন্ধ, মামলার নির্দেশ

গলাচিপা – দশমিনার খাদ্য নিয়ন্ত্রণক মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার

রিপোর্টারের নাম / ৪০ জন দেখেছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

গলাচিপা – দশমিনার খাদ্য নিয়ন্ত্রণক মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী খোকন – জলিল’র ডিউ বানিজ্য শীর্ষে

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং দশমিনা উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রণক মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার এর করা অনিয়ম দূর্নীতি খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও তাঁর ডান হাত হিসেবে গলাচিপা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণক কার্যালয়ের নিরাপত্তা প্রহরী মোঃ খোকন ও তাঁর বাম হাত দশমিনা উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রণক অফিসের অফিস সহায়ক মোঃ জলিল এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাকে অনিয়ম দূর্নীতি সহায়তা করার। সুত্রে জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলায় যোগদান করার পর থেকেই এ উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রণক মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার অনিয়ম দূর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। একে একে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক অর্থ হাতিয়ে নিয়ে লাভবান হয়।পরে ডিলারদের কাছ থেকে ডিউ প্রতি ১০০০ করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া। তাকে এ কাজে সহায়তা করেছেন তৎকালীন তাঁর অফিসের এক চতুর্থ শ্রেণীর স্টাফ। পরে এ স্টাফ বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে গলাচিপা থেকে বদলী হয়। পরে মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার তাঁর অফিসে নিরাপত্তা প্রহরী মোঃ খোকন কে পেয়েই তাকে তাঁর ডান হাত বানিয়ে তাকে বড় চেয়ার টেবিল দিয়ে বসিয়ে তার মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা ডিলার প্রতি ১০০০ টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন।অন্যদিকে মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার দশমিনা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণক অফিসের অফিস সহায়ক মোঃ জলিল কে তাঁর বাম হাত বানিয়ে তাকে দিয়ে ডিলার নিয়োগ বানিজ্যে করে অগনিত টাকা নিজের পকেটে ডুকিয়েছেন। এদিকে তাকে দিয়ে দশমিনা উপজেলার ডিলারদের থেকে নিয়মবহির্ভূত ডিলার প্রতি ১০০০ টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন এ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণক। গলাচিপা উপজেলায় ১২ টি ইউনিয়ন এবং দশমিনা উপজেলায় ৭ টি ইউনিয়ন। এই দুই ইউনিয়নে প্রায় ১০৮ জনের মত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার আছেন। ২০২৬ সালের মার্চ, এপ্রিল, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও চলতি অক্টোবর মাস সহ মোট ৫ মাস খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ডিলার গন প্রতিমাস প্রতি এক এক জনে ১০০০ টাকা করে মাস্টার রোলের নামে বাধ্য হয়ে মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার, মোঃ খোকন ও মোঃ জলিল এর হাতে তুলে দিয়েছেন বলে জানা যায়। এখন তাদের দেয়া ৫৪০০০০/- টাকা অনৈতিক ভাবে উক্ত ৫ মাসে তারা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে সুত্রে জানা গেছে। গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণক মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার অফিসে বসেই প্রকাশ্যে ধুমপান করেন। এতে যেমন পরিবেশ দুষিত হয়। তেমনি চাকুরী বিধি লঙ্ঘন করা হয় তাঁর। সুত্রে জানা গেছে, অনেক সময় তাকে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসে দেখা যায় না। তাকে অফিসে না দেখে কেউ জিজ্ঞাসা করলে তাঁর শিখিয়ে দেয়া কথা মোঃ খোকন ও মোঃ জলিল বলেন তিনি মিটিং গেছেন,তিনি অসুস্থ, ছুটি নিয়েছেন। এছাড়াও মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার গলাচিপা ও দশমিনায় তাঁর অফিস কোনও গণমাধ্যম কর্মী তথ্যর জন্য গেলে তাঁর মাথায় মনে হয় বাজঁপড়ে। এমনকি তিনি তাদের সাথে সৌজন্যে মূলক আচারন করেন বলে তেমন একটা জানা যায় না। এছাড়াও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক সাংবাদিক জানিয়েছেন তাঁর কাছে মুঠোফোনে কোন তথ্য কিংবা বক্তব্য চাইলেও তিনি তাদের সাথে সিনেমার ভিলেনদের ন্যায় কথা বলেন বলে জানা যায়। সুত্রে আরও জানা গেছে, মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার এর কর্মকাণ্ডে গলাচিপা এবং দশমিনা ও রনগোপালদী খাদ্য গোডাউনের খাদ্য কর্মকর্তারা দিশেহারা বলে জানা গেছে। গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ১০/১২জন ডিলার বলেন, ডিউ প্রতি মাস্টার রোলের নামে মাস প্রতি প্রত্যেক ডিলার কে ১০০০ টাকা করে খাদ্য নিয়ন্ত্রণক মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার এর নির্দেশে অফিস স্টাফ মোঃ খোকন ও মোঃ জলিল এর হাতে তুলে দিতে তারা বাধ্য হয়েছেন।এ বিষয় জানতে চাইলে দশমিনা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণক কার্যালয়ের অফিস সহায়ক মোঃ জলিল বলেন, যা কিছু জানার বা বলার তা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণক এর সাথে বলুন। তিনি এ কথা বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এজন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গলাচিপা খাদ্য গোডাউনের কর্মকর্তা বলেন, কথা বলা যাবে না। এই কথা বলে ফোন কল কেটে দেন। এজন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয় জানতে দশমিনা খাদ্য গোডাউনের কর্মকর্তার কয়েক বার কল দিলেও প্রতিবারই তাঁর ফোন কল ব্যস্ত পাওয়া যায় এজন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গলাচিপা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণক কার্যালয়ের নিরাপত্তা প্রহরী মোঃ খোকন বলেন, কত সাংবাদিক ফোন দেয়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণক এর সাথে কথা বলার জন্য বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এজন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি। এ বিষয় জানতে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণক মোঃ মাহামুদুল হাসান সিকদার এর মুঠোফোনে কয়েক বার কল দিলেও তিনি ফোন কল রিসিভ করেন নি। পরে তাঁর ওয়ার্টসপ নাম্বারে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোন কোন সাড়া পাওয়া যায় নি। এজন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটুয়াখালী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণক মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন, ছুটিতে আছি,খোলা তারিখে খোঁজ খবর নিয়ে বলতে পারবেন। এই বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ জন্য তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ